আদরের দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা, আজ এখানে আমরা আলোচনা করেছি দশম শ্রেণির একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস প্রশ্নোত্তর সম্পর্কে। এই প্রশ্নটি আগামী মাধ্যমিক পরীক্ষায় তোমাদের জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। দশম শ্রেণির ইতিহাস বইয়ের চতুর্থ অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন :- ১) জাতীয়তাবোধের বিকাশে আনন্দমঠ উপন্যাসের ভূমিকা আলোচনা করো। উত্তর :- উনিশ শতকের ভারতে জাতীয় জাগরণ ও মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে বঙ্কিমচন্দ্রের "আনন্দমঠ" অতি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। দেশাত্মবোধের জাগরনে একে "স্বদেশপ্রেমের গীতা" বলে অভিহিত করা হয়। পটভূমি :- আঠারো শতকের বাংলার ৭৬ এর মন্বন্তর ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহের পটভূমিতে রচিত হয় আনন্দমঠ (১৮৮২ খ্রিঃ) উপন্যাসটি। জাতীয়তাবোধের জাগরণ :- বঙ্কিমচন্দ্রের এই উপন্যাসের মধ্য দিয়ে পরাধীন ভারতমাতার দুর্দশার করুণ চিত্র প্রকাশিত হয়েছে। এই উপন্যাসে বঙ্কিমচন্দ্র ইংরেজ বিরোধী সন্ন্যাসী বিদ্রোহের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বদেশ চেতনার সঞ্চার করে। বঙ্কিমচন্দ্র রচিত বন্দেমাতরম নামক সংগীত আনন্দমঠের সঙ্গীত হিসেবে পরিচিত হয়। সন্তান দলের সদস্যরা বন্দেমাতরম নামক সংগীত গাইতে গাইতে দেশের জন্য জীবন উৎ...
টীকা লিখ : মহারানীর ঘোষণাপত্র উত্তর :- ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের মহাবিদ্রোহের ফলে ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দের ১ লা নভেম্বর ইংল্যান্ডের মহারানী ভারতীয়দের ক্ষোভ প্রশমনের জন্য বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা সহ একটি ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেন, যা মহারানীর ঘোষণাপত্র নামে পরিচিত। পটভূমি :- মহাবিদ্রোহের পর ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মতো একটি ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানের হাতে ভারতের শাসনভার রাখতে চাইনি। তাই কোম্পানির শাসনের পরিবর্তে ভারতে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য এক উন্নত "ভারত শাসন আইন" পাশ করা হয় এবং ভারতের শাসনভার মহারানী ভিক্টোরিয়ার হাতে তুলে দেওয়া হয়। মহারানীর ঘোষণাপত্র:- এই ঘোষণাপত্রে বলা হয় - ১) দেশীয় অপুত্রক রাজারা দত্তক পুত্র গ্রহণ করতে পারবেন। ২) ব্রিটিশ সরকার ভারতে আর সাম্রাজ্য বিস্তার করবে না। ৩) জাতি- ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি ন্যায় বিচার করা হবে। ৪) মহারানী ভিক্টোরিয়া ভারত সচিব নামে প্রধানমন্ত্রী ও ১৫ জন সদস্যের কাউন্সিলের সাহায্যে ভারত শাসন করে। ৫) ভারতীয়দের সম্পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতা দেওয়া হবে এই ঘোষণাপত্রের প্রায় কোনোটিই সঠিকভাবে পালিত হয়নি। ...