স্নেহের নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা, আজ আমরা আলোচনা করবো নবম শ্রেণির ইতিহাস বিষয়ের চতুর্থ অধ্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সম্পর্কে। ১) জার্মানির ঐক্য আন্দোলনে বিসমার্কের অবদান আলোচনা করো। উত্তর :- ইতালির মতো জার্মানির ঐক্যও সাধিত হয়েছিল সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে একটি রাজবংশের অধীনে। জার্মানির ক্ষেত্রে এই রাজবংশটি ছিল প্রাশিয়ার হোহেনজোলার্ন রাজবংশ। অটোভন বিসমার্ক ছিলেন এই রাজ্যের চ্যান্সেলার বা প্রধানমন্ত্রী। তিনি একজন সুশিক্ষিত, তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন, বাস্তববাদী, ঘোর রক্ষণশীল রাজনীতিবিদ। ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে বিসমার্ক প্রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হলে জার্মানির ঐক্য আন্দোলনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। কনফেডারেশন অব দ্য রাইন :- ফরাসি বিপ্লবের পূর্বে জার্মানি পরস্পর বিরোধী ৩০০ টি রাজ্যে বিভক্ত ছিল। নেপোলিয়ন ৩০০ টি রাজ্যকে ৩৯ টি রাজ্যে পরিণত করে কনফেডারেশন অব দ্য রাইন নামে একটি যুক্তরাষ্ট্র গঠন করেন। কিন্তু নেপোলিয়নের পতনের পর ভিয়েনা ব্যবস্থা অনুসারে জার্মানির ওপর অস্ট্রিয়ার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। বিসমার্কের উদ্দেশ্য :- বিসমার্কের উদ্দেশ্য ছিল - অস্ট্রিয়ার কর্তৃত্ব থে...
টীকা লিখ : মহারানীর ঘোষণাপত্র উত্তর :- ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের মহাবিদ্রোহের ফলে ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দের ১ লা নভেম্বর ইংল্যান্ডের মহারানী ভারতীয়দের ক্ষোভ প্রশমনের জন্য বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা সহ একটি ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেন, যা মহারানীর ঘোষণাপত্র নামে পরিচিত। পটভূমি :- মহাবিদ্রোহের পর ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মতো একটি ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানের হাতে ভারতের শাসনভার রাখতে চাইনি। তাই কোম্পানির শাসনের পরিবর্তে ভারতে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য এক উন্নত "ভারত শাসন আইন" পাশ করা হয় এবং ভারতের শাসনভার মহারানী ভিক্টোরিয়ার হাতে তুলে দেওয়া হয়। মহারানীর ঘোষণাপত্র:- এই ঘোষণাপত্রে বলা হয় - ১) দেশীয় অপুত্রক রাজারা দত্তক পুত্র গ্রহণ করতে পারবেন। ২) ব্রিটিশ সরকার ভারতে আর সাম্রাজ্য বিস্তার করবে না। ৩) জাতি- ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি ন্যায় বিচার করা হবে। ৪) মহারানী ভিক্টোরিয়া ভারত সচিব নামে প্রধানমন্ত্রী ও ১৫ জন সদস্যের কাউন্সিলের সাহায্যে ভারত শাসন করে। ৫) ভারতীয়দের সম্পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতা দেওয়া হবে এই ঘোষণাপত্রের প্রায় কোনোটিই সঠিকভাবে পালিত হয়নি। ...